Archive for the ‘Tapan Sinha’ Category

Tapan Sinha & docs..

Posted: October 2, 2019 in Tapan Sinha

Happy b’day wishes to late filmmaker Tapan Sinha..

In quite a few of his later works, TS has shown an individual waging a relentless fight against the system. ATANKA, EK DOCTOR KI MAUT, ADMI AUR AURAT, ADALAT O EKTI MEY & WHEEL CHAIR cast the protagonist undergoing an ordeal but refusing to budge into submission.

ts

No Indian filmmaker has portrayed the profession of doctor and medicine with such sincerity like him. In the early fifties film HATEY BAZAREY, the protagonist Ashok Kumar plays a dedicated doctor who runs a mobile dispensary for the needy. In WHEEL CHAIR a handicapped doctor (Soumitro Chattopadhyay) puts up a relentless fight to bring relief to similarly disadvantaged people through his clinic. EK DOCTOR KI MAUT finds a doctor fighting the cruel academic system and losing out in getting recognition for his pioneering work on leprosy. AROHI & KHONIKER ATITHI too revolved around the Medicine man. In ADMI AUR AURAT the lack of medical facilities to the rural community is highlighted …

মৃণাল এবং সমকাল*
© সুমিত চট্টোপাধ্যায়
কী করে এত সুন্দর ছবি বানালেন , বলুন তো?
আপনার ভাল লেগেছে?
ভাল মানে? অসামান্য — মৃণালের কণ্ঠে মুগ্ধতা।
সত্যজিৎ চুপ করে রইলেন।
তবে আপনার এই বইটা চলবে না— চায়ে একটা বড় চুমুক মেরে বললেন মৃণাল ।
অ্যাঁ, চলবে না, মানে? সত্যজিৎ হতচকিত। এত কষ্ট করে বইটা বানালুম !
না, বানিয়েছেন ত ভালই। শুধু ভাল না, খুবই ভাল। ইন ফ্যাক্ট, এত ভাল বই আপনিও আর কখনো বানাতে পারবেন কিনা আমার যথেষ্ট সন্দেহ আছে।
তাহলে?
আরে, মা ছেলের এরকম সম্পর্ক , যা আপনি সিনেমায় দেখিয়েছেন তা ইন্ডিয়ানদের হজম হবে না।
সে কী!
তা না তো কী! ছেলে মা-কে নিয়ে বোর হয়ে যাচ্ছে। মা মারা যেতে তার তেমন ইয়ে ত হচ্ছেই না, উল্টে সে নিজেকে স্বাধীন ভাবছে— এসব এদেশে চলবে না। বিদেশে অবশ্য লুফে নেবে।
বুঝতেই পারছেন- কথা হচ্ছিল দুই পরিচালকের মধ্যে। মৃণাল সেন এবং সত্যজিৎ রায়ের মধ্যে।
আজকের কথা নয়। ষাট বছর আগের কথা।
সদ্য বেরিয়েছে মানিকবাবুর দ্বিতীয় চলচ্চিত্র । অপরাজিত।
দেখেই এত ভাল লেগেছিল মৃণালের যে তিনি বাড়ি বয়ে চলে এসেছিলেন সত্যজিতের কাছে।
এবং মৃণালের ভবিষৎ বাণী সফল হয়েছিল।
পথের পাঁচালীর তুলনায় অপরাজিত ফ্লপই করেছিল বলতে হবে।
অনেকেই জানতে চান যে সেকালের রথী মহারথী পরিচালকদের নিজেদের মধ্যেকার রিলেশান কেমন ছিল। নিশ্চই ঘাতপ্রতিঘাতপূর্ণ জেলাসির সম্পর্ক।
যেমনটা এখনকারদিনের অনেক ডিরেক্টরদের মধ্যে হয়ে থাকে।
সেরকমটা মোটেও না।
যেমন ধরুন ঋত্বিক , মানে ঋত্বিক ঘটক আর সত্যজিৎ রায়ের মধ্যে।
দুজনেই দুজনার গুণমুগ্ধ ।
সেসময়কার এক বোহেমিয়ান পন্ডিত মানুষ ছিলেন কমলকুমার মজুমদার।
বিদ্বান এবং ততোধিক ক্ষ্যাপাটে। ভয়ানক অ্যাজমায় ভুগতেন, অথচ ডাক্তার দেখাতে তার বিরাট অ্যালার্জি। কেন চিকিৎসা করান না জিজ্ঞাসা করাতে উনি বলতেন — আসলে অ্যাজমায় ভোগার মধ্যে একটা দুর্দান্ত গ্র্যান্জার আছে, আমি না সেটা কিছুতেই স্যাক্রিফাইস করতে চাইছি না।
তো এই ভদ্রলোকের পথের পাঁচালীর একটা বাদে আর কোনও দৃশ্যই তেমন পছন্দ হয় নি।
কোন দৃশ্যটা পছন্দ হয়েছিল?
ওই যে চিনিবাস ময়রার সিনটা আছে না? পুকুরপার দিয়ে ছন্দে ছন্দে চিনিবাস যাচ্ছে আর পিছন পিছন যাচ্ছে তিনজন – অপু, দুর্গা আর একটা নেড়ি কুকুর।
ওই দৃশ্যটা।
তা সব শুনে টুনে সত্যজিৎ বলেছিলেন— ও গ্রামবাংলার দৃশ্য দেখিয়ে কমলবাবুকে খুশি করা আমার কম্মো নয়। ও ক্ষমতা আছে কেবল ঋত্বিকবাবুর।
গল্পটার উল্টো পিঠটা এবার শুনুন।
জলসাঘরের শুটিং থেমে গেছে।
কারণ ছবি বিশ্বাস ইউরোপ গেছেন প্রাইজ আনতে। ফিরতে সময় লাগবে। ট্যুর ফুর কমপ্লিট করে আসবেন।
সত্যজিতের হাত খালি।
তো এসময় একজন সত্যজিৎ-গুণমুগ্ধ একজন প্রযোজকের কাছে গিয়ে বললেন — মানিকবাবুর মত একজন গুণী লোক বসে আছেন। ওনাকে দিয়ে এই তালে একটা সিনেমা বানিয়ে নিন না।
প্রযোজক প্রমোদবাবু হাত উল্টোলেন— অসম্ভব। আমার হাতে এখন দুটো ফিল্ম। তপন সিংহ বানাচ্ছেন লৌহকপাট, আর ঋত্বিকবাবু করছেন অযান্ত্রিক।
কথাটা কানে গেল ঋত্বিকের।
উনি প্রযোজকের কাছে গেলেন আর রীতিমত ধমক দিলেন— আপনি পাগল নাকি, মশাই? মানিরবাবুর মতন লোক হাত গুটিয়ে বসে আছেন আর আমি কিনা সিনেমা বানাচ্ছি ! আপনি আমার কাজটা বন্ধ রাখুন, ওনাকে দিয়ে কাজ শুরু করান।
তখন শুরু হল জলসাঘরের শুটিং !
শতরঞ্জ কা খিলাড়ির জন্য ভয়েসওভার করতে হবে। কে করবেন?
সত্যজিৎ নিজেই করতে পারেন। ওরকম অসামান্য কণ্ঠস্বর।
না, উনি করবেন না। কারণ হিন্দিটা সত্যজিতের তেমন ইয়ে নয়।
তখন মৃণাল সেনই সাজেশান করলেন অমিতাভ বচ্চনের নাম। সত্যজিৎ লুফে নিলেন।
মৃণালবাবু যখন অমিতাভের কণ্ঠস্বর কাজে লাগিয়েছিলেন তার ভুবন সোম নামের অসাধারণ চলচ্চিত্র টিতে, তখন বচ্চন সাহেবকে কেউ পুঁছত না।
বোঝাই যাচ্ছে জহুরীর চোখ ( এবং কান) ছিল মৃণাল সেনের।
অমিতাভ তিনশ টাকা পারিশ্রমিক পেয়েছিলেন — উনি নিতে চান নি, মৃণালই ধমকধামক দিয়ে টাকাটা দিয়েছিলেন।
এক তৈলমর্দক সত্যজিৎকে বলেছিলেন— মৃণালবাবু যে কী বই বানান, কিচ্ছু বুঝতে পারি না। আপনার সিনেমাগুলো কত সুন্দর…
সত্যজিৎ অপাঙ্গে তাকিয়ে বলেছিলেন— সিনেমাটা উনি আমাদের জন্য বানান। সবার না বুঝলেও চলবে।
লেখাটা শুরু করেছিলাম সত্যজিৎ আর মৃণালের কথোপকথন দিয়ে।
এবার সেটা শেষ করি।
সত্যজিৎ খুবই হতাশ হয়েছিলেন তার অপরাজিত না চলায়। তবুও ভেনিস ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভালে তার সিনেমা( অপরাজিত) পাঠিয়েছিলেন। নিজেও গেছিলেন।
সেখানেও একই রকম অবস্থা। ঈষদুষ্ণ রেসপন্স। যেদিন রেজাল্ট বেরোবে সত্যজিৎ তখন হোটেলে। ভীষণ বিরক্ত হয়ে পায়চারি করছিলেন তিনি। সেদিন আবার তার ছেলে সন্দীপের জন্মদিন।
নাহ্— মনে মনে গজগজ করছিলেন তিনি। মৃণালবাবুর কথায় বার খেয়ে এখানে আসাটা মোটেও বুদ্ধিমানের কাজ হয় নি, এর থেকে কলকাতায় থাকলে সময়টা অনেক ভাল কাটত।
রুম বেল বাজল।
সত্যজিৎ উঠে গিয়ে দরজা খুলে দিলেন।
একটি ইয়ং মেয়ে।
আমি ফেস্টিভ্যাল কমিটি থেকে আসছি— মেয়েটি জানাল।
বেশ, তা কী চান? সত্যজিৎ জিজ্ঞাসা করলেন।
আপনার কোট কোথায়?
কীসের কোট? সত্যজিৎ পরম বিস্মিত।
প্রাইজ ডিস্ট্রিবিউশন সেরিমনিতে কোট ত মাস্ট।
ধ্যাৎ। ওখানে কে যাবে?
কে যাবে, মানে? আপনি যাবেন।
কেন?
কেন কী? আপনার সিনেমা ত তিনটে প্রাইজ পেয়েছে।
তিনটে প্রাইজ পেয়েছে? অপরাজিত?
হ্যাঁ। ফেস্টিভ্যালের ইতিহাসে এই প্রথম তিনটে ক্যাটাগরিতেই কোনও মুভি ফার্স্ট প্রাইজ পেয়েছে।
পরে মৃণালকে ঘটনাটা জানাতে মৃণাল নিরাসক্তভাবে বলেছিলেন — আমি ত আগেই বলেছিলাম।
অন্য কেউ হলে উচ্ছ্বাসে ভেসে গিয়ে জনে জনে বলে বেড়াতেন— দেখেছ, কী বলেছিলাম !
মৃণাল বরাবরই অনাবেগী।
উনি অনেকবার ঋত্বিক ঘটককে বলেছিলেন — আপনার জায়গায় আমি হলে কখনই ‘দাদা, আমি বাঁচতে চাই’ এই ডায়লগটা মেঘে ডাকা তারা সিনেমায় রাখতাম না। বড্ড মেলোড্রামাটিক।
সেই লোকের যে ইচ্ছা হবে তার মৃতদেহকে যেন কোনও স্পেশাল গান
স্যালুট ট্যালুট জাতীয় সম্মান না দেওয়া হয় — এতে আর আশ্চর্য কী !

 

Today is the late filmmaker Tapan Sinha’s birthday.  Recepient of the highest cinema award of the country Dadasaheb Phalke, he has made over forty films in a career spanning more than four decades. Some of his outstanding films are APANJAN (remade by Gulzar as Mere Apne), GOLPO HOLEO SATTI (remade as BAWARCHI by Hrishikesh Mukherjee), NIRJAN SAIKATE and many others.  For compiling the seventy list of greatest Indian films, I would pick this Hindi film by him featuring Pankaj Kapoor and Shabana Azmi based on the life of a real doctor …

Ek Doctor Ki Maut, 1990 film.jpg

The story is credited to Ramapada Choudhury.

Sabuj Dwiper Raja poster.jpg

Among the top Bengali directors Tapan Sinha is an exception when it came to making films on travel and discovery, adventure and suspense. We have seen TS handling the genre again and again in films like ATITHI, NIRJAN SAIKATE, SAFED HAATHI, BAIDURJER RAHASYA, ANTARDHAAN, ATANKA and this one among others …

SABUJ DEEPER RAJA was a film based on the famous sleuth ‘Kakababu’ penned by Sunil Gangopadhyay. The central role of Kakababu was played by Samit Bhanja quite convincingly. The beauty of the Andaman and Nicobar islands was wonderfully captured by the lens of the Cameraman in this film.

The storyline I felt was a big letdown with fantastical elements of a miraculous optical power source among the tribal, crooks in pursuit of it, disappearing foreigners and a forgotten freedom fighter Talukdar resembling Aurobindo Ghosh. The supporting cast includes Biplab Chaterjee, Ramen Rai Chaudhuri, Kalyan Chaterjee and others.

Rating: 2.8 out of 5

 

PONKHIRAJ narrates the tale of three struggling friends – Sankar (Soumitro Chattopadhyay), Robi (Samit Bhanja) & Sunil (Santu Mukherjee). They run a garage – International Motor works in an area infested by evil persons like Mota Ghosh (Utpal Dutt) and others who are involved in a racket that steal and deal in cars.

ponkhi
The film echoes influences of several Bengali films – from Tapan Sinha’s APANJAN to Ritwik Ghatak’s AJANTRIK to the much later Sandip Ray film UTTARON based on a Satyajit Ray story about the inability of the weaker section of society to purchase expensive medicines.
It is a sheer pleasure to watch the two greats of Bengali cinema, Soumitro Chattopadhyay and Uttam Kumar, in top form in the film ably supported by the strong cast of Utpal Dutt, Samit Bhanja, Santu Mukhopadhyay, Tarun Kumar and others. There’s Chinmoy Roy for comic relief.
The film mirrors the relentless fight that ensues between the evil and the righteous. When Soumitro says “Ami struggle korte chai, ami criminal hote chai na…” you feel the genuineness of the utterance. Robi is a gifted singer and rescues small child from unscrupulous employers. There’re moments of love and tenderness involving the protagonist with fine songs pictured effectively. Issues of child labor and need of education for such children are highlighted.
There’s murder and intrigue and much else in this watchable mainstream Bengali film. The end provides the director’s comment on his film – “Ei osamajik manush gulo ke amra jeno grina na kori” (We should not hate these unsocial elements of society). The film was directed by Pijush Bose.
Rating: 3.6 out of 5

uphar

Directed by Tapan Sinha, the film deals with the struggles and hardship of the poor in this ruthless world. It boasts of an impressive star cast that includes Uttam Kumar, Manju Dey, Nirmal Kumar, Sabitri Chatterjee, Kanu Bandopadhyay, Jahar Roy, Tulsi Chakraborty, Shyam Laha, Chabi Biswas and others.
A professor (Uttam Kumar) and his wife (Manju Dey) comes to live as tenants in the house of one Kanhali-babu (Kanu Bandopadhyay). They develop a soft corner for Krishna, the daughter of the landlord (Sabitri Chaterjee). Kanhali-babu eked out a livelihood from the rent that his house fetched. He was a strict father, and his daughter had no independence of her own.
Krishna used to pass on the nutritious portion of her diet surreptitiously to her father and subsisted on the remnants. The professor’s wife discovers it and replenishes her diet sparing something for her from their meal. Kanhali-babu’s nagging trait infuriates Bhola (Johar Roy), the Professor’s servant.
Krishna is in love with a certain gentleman (Nirmal Kumar) but her father has arranged her marriage to a retarded man in lieu of a paltry sum of money. After a lot of melodrama, Krishna unites with her paramour (Nirmal Kumar).
The film doesn’t rise to any great heights, but nonetheless remain watchable. Towards the end Krishna suddenly discovers that beneath the stern exterior, Kanhali-babu was a very caring father and had stashed away huge wealth in order to marry off his daughter in grand style. Why then did Kanhali-babu tried to marry off Krishna by accepting a paltry amount from the bridegroom’s family. Director sir, can you explain? ….
23.11.02

atithi

Tapan Sinha’s ATITHI bears a striking resemblance to Jatrik-directed PALATAK.  In both the films the protagonist is a wanderer intermittently escaping the bindings of family life and setting off to discover new people and places. The only difference is that the protagonist Tara in ATITHI is a small boy (played by actor Partha)  whereas in PALATAK it was a grown up man (Anoop Kumar).

Watching a film six decades after it was made in poor print quality reinforces the need to restore such classic films for posterity. ATITHI has a few lilting flute tunes of Tagore composition.

ATITHI takes us back to a world where a sense of the wonder lurked in the child about the unknown. They found joy and happiness in the simple charms that life offered – taking a dip in the village pond or gaping at the antics of the performer of a circus or Jatra (a kind of theatre in Bengal). This is one of the biggest losses mankind has suffered in the wake of the onslaught of 24×7 TV Channels and the Internet. That child in us with curiosity about the most mundane of things is now truly dead.

Ajitesh Bandopadhyay and Smriti Sinha act in supporting roles.

Rating: 3.8 out of 5