Archive for the ‘Ritwik Ghatak’ Category

bhalo

The film I saw yesterday was BHALO THEKO directed by Gautam Halder. BT has several layers – at one layer the film showed the exploitation and sacrifices of women for the family like Ghatak’s MEGHE DHAKA TARA. In another layer, the film depicted the torment the family undergoes when one of its member get involved in a revolutionary movement, similar to Mrinal Sen’s MAHAPRITHIBI. The impressive debut of the director is laced with a poetical treatment and emphasises the need for us to care for and live in harmony with nature. Vidya Balan plays the pivotal role and the supporting cast includes Parambrata Chattopadhyay, Joy Sengupta, Debisankar Halder, Soumitra Chattopadhyay, Anusya Mazumdar and others.

Rating: 4 out of 5

Advertisements
মৃণাল এবং সমকাল*
© সুমিত চট্টোপাধ্যায়
কী করে এত সুন্দর ছবি বানালেন , বলুন তো?
আপনার ভাল লেগেছে?
ভাল মানে? অসামান্য — মৃণালের কণ্ঠে মুগ্ধতা।
সত্যজিৎ চুপ করে রইলেন।
তবে আপনার এই বইটা চলবে না— চায়ে একটা বড় চুমুক মেরে বললেন মৃণাল ।
অ্যাঁ, চলবে না, মানে? সত্যজিৎ হতচকিত। এত কষ্ট করে বইটা বানালুম !
না, বানিয়েছেন ত ভালই। শুধু ভাল না, খুবই ভাল। ইন ফ্যাক্ট, এত ভাল বই আপনিও আর কখনো বানাতে পারবেন কিনা আমার যথেষ্ট সন্দেহ আছে।
তাহলে?
আরে, মা ছেলের এরকম সম্পর্ক , যা আপনি সিনেমায় দেখিয়েছেন তা ইন্ডিয়ানদের হজম হবে না।
সে কী!
তা না তো কী! ছেলে মা-কে নিয়ে বোর হয়ে যাচ্ছে। মা মারা যেতে তার তেমন ইয়ে ত হচ্ছেই না, উল্টে সে নিজেকে স্বাধীন ভাবছে— এসব এদেশে চলবে না। বিদেশে অবশ্য লুফে নেবে।
বুঝতেই পারছেন- কথা হচ্ছিল দুই পরিচালকের মধ্যে। মৃণাল সেন এবং সত্যজিৎ রায়ের মধ্যে।
আজকের কথা নয়। ষাট বছর আগের কথা।
সদ্য বেরিয়েছে মানিকবাবুর দ্বিতীয় চলচ্চিত্র । অপরাজিত।
দেখেই এত ভাল লেগেছিল মৃণালের যে তিনি বাড়ি বয়ে চলে এসেছিলেন সত্যজিতের কাছে।
এবং মৃণালের ভবিষৎ বাণী সফল হয়েছিল।
পথের পাঁচালীর তুলনায় অপরাজিত ফ্লপই করেছিল বলতে হবে।
অনেকেই জানতে চান যে সেকালের রথী মহারথী পরিচালকদের নিজেদের মধ্যেকার রিলেশান কেমন ছিল। নিশ্চই ঘাতপ্রতিঘাতপূর্ণ জেলাসির সম্পর্ক।
যেমনটা এখনকারদিনের অনেক ডিরেক্টরদের মধ্যে হয়ে থাকে।
সেরকমটা মোটেও না।
যেমন ধরুন ঋত্বিক , মানে ঋত্বিক ঘটক আর সত্যজিৎ রায়ের মধ্যে।
দুজনেই দুজনার গুণমুগ্ধ ।
সেসময়কার এক বোহেমিয়ান পন্ডিত মানুষ ছিলেন কমলকুমার মজুমদার।
বিদ্বান এবং ততোধিক ক্ষ্যাপাটে। ভয়ানক অ্যাজমায় ভুগতেন, অথচ ডাক্তার দেখাতে তার বিরাট অ্যালার্জি। কেন চিকিৎসা করান না জিজ্ঞাসা করাতে উনি বলতেন — আসলে অ্যাজমায় ভোগার মধ্যে একটা দুর্দান্ত গ্র্যান্জার আছে, আমি না সেটা কিছুতেই স্যাক্রিফাইস করতে চাইছি না।
তো এই ভদ্রলোকের পথের পাঁচালীর একটা বাদে আর কোনও দৃশ্যই তেমন পছন্দ হয় নি।
কোন দৃশ্যটা পছন্দ হয়েছিল?
ওই যে চিনিবাস ময়রার সিনটা আছে না? পুকুরপার দিয়ে ছন্দে ছন্দে চিনিবাস যাচ্ছে আর পিছন পিছন যাচ্ছে তিনজন – অপু, দুর্গা আর একটা নেড়ি কুকুর।
ওই দৃশ্যটা।
তা সব শুনে টুনে সত্যজিৎ বলেছিলেন— ও গ্রামবাংলার দৃশ্য দেখিয়ে কমলবাবুকে খুশি করা আমার কম্মো নয়। ও ক্ষমতা আছে কেবল ঋত্বিকবাবুর।
গল্পটার উল্টো পিঠটা এবার শুনুন।
জলসাঘরের শুটিং থেমে গেছে।
কারণ ছবি বিশ্বাস ইউরোপ গেছেন প্রাইজ আনতে। ফিরতে সময় লাগবে। ট্যুর ফুর কমপ্লিট করে আসবেন।
সত্যজিতের হাত খালি।
তো এসময় একজন সত্যজিৎ-গুণমুগ্ধ একজন প্রযোজকের কাছে গিয়ে বললেন — মানিকবাবুর মত একজন গুণী লোক বসে আছেন। ওনাকে দিয়ে এই তালে একটা সিনেমা বানিয়ে নিন না।
প্রযোজক প্রমোদবাবু হাত উল্টোলেন— অসম্ভব। আমার হাতে এখন দুটো ফিল্ম। তপন সিংহ বানাচ্ছেন লৌহকপাট, আর ঋত্বিকবাবু করছেন অযান্ত্রিক।
কথাটা কানে গেল ঋত্বিকের।
উনি প্রযোজকের কাছে গেলেন আর রীতিমত ধমক দিলেন— আপনি পাগল নাকি, মশাই? মানিরবাবুর মতন লোক হাত গুটিয়ে বসে আছেন আর আমি কিনা সিনেমা বানাচ্ছি ! আপনি আমার কাজটা বন্ধ রাখুন, ওনাকে দিয়ে কাজ শুরু করান।
তখন শুরু হল জলসাঘরের শুটিং !
শতরঞ্জ কা খিলাড়ির জন্য ভয়েসওভার করতে হবে। কে করবেন?
সত্যজিৎ নিজেই করতে পারেন। ওরকম অসামান্য কণ্ঠস্বর।
না, উনি করবেন না। কারণ হিন্দিটা সত্যজিতের তেমন ইয়ে নয়।
তখন মৃণাল সেনই সাজেশান করলেন অমিতাভ বচ্চনের নাম। সত্যজিৎ লুফে নিলেন।
মৃণালবাবু যখন অমিতাভের কণ্ঠস্বর কাজে লাগিয়েছিলেন তার ভুবন সোম নামের অসাধারণ চলচ্চিত্র টিতে, তখন বচ্চন সাহেবকে কেউ পুঁছত না।
বোঝাই যাচ্ছে জহুরীর চোখ ( এবং কান) ছিল মৃণাল সেনের।
অমিতাভ তিনশ টাকা পারিশ্রমিক পেয়েছিলেন — উনি নিতে চান নি, মৃণালই ধমকধামক দিয়ে টাকাটা দিয়েছিলেন।
এক তৈলমর্দক সত্যজিৎকে বলেছিলেন— মৃণালবাবু যে কী বই বানান, কিচ্ছু বুঝতে পারি না। আপনার সিনেমাগুলো কত সুন্দর…
সত্যজিৎ অপাঙ্গে তাকিয়ে বলেছিলেন— সিনেমাটা উনি আমাদের জন্য বানান। সবার না বুঝলেও চলবে।
লেখাটা শুরু করেছিলাম সত্যজিৎ আর মৃণালের কথোপকথন দিয়ে।
এবার সেটা শেষ করি।
সত্যজিৎ খুবই হতাশ হয়েছিলেন তার অপরাজিত না চলায়। তবুও ভেনিস ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভালে তার সিনেমা( অপরাজিত) পাঠিয়েছিলেন। নিজেও গেছিলেন।
সেখানেও একই রকম অবস্থা। ঈষদুষ্ণ রেসপন্স। যেদিন রেজাল্ট বেরোবে সত্যজিৎ তখন হোটেলে। ভীষণ বিরক্ত হয়ে পায়চারি করছিলেন তিনি। সেদিন আবার তার ছেলে সন্দীপের জন্মদিন।
নাহ্— মনে মনে গজগজ করছিলেন তিনি। মৃণালবাবুর কথায় বার খেয়ে এখানে আসাটা মোটেও বুদ্ধিমানের কাজ হয় নি, এর থেকে কলকাতায় থাকলে সময়টা অনেক ভাল কাটত।
রুম বেল বাজল।
সত্যজিৎ উঠে গিয়ে দরজা খুলে দিলেন।
একটি ইয়ং মেয়ে।
আমি ফেস্টিভ্যাল কমিটি থেকে আসছি— মেয়েটি জানাল।
বেশ, তা কী চান? সত্যজিৎ জিজ্ঞাসা করলেন।
আপনার কোট কোথায়?
কীসের কোট? সত্যজিৎ পরম বিস্মিত।
প্রাইজ ডিস্ট্রিবিউশন সেরিমনিতে কোট ত মাস্ট।
ধ্যাৎ। ওখানে কে যাবে?
কে যাবে, মানে? আপনি যাবেন।
কেন?
কেন কী? আপনার সিনেমা ত তিনটে প্রাইজ পেয়েছে।
তিনটে প্রাইজ পেয়েছে? অপরাজিত?
হ্যাঁ। ফেস্টিভ্যালের ইতিহাসে এই প্রথম তিনটে ক্যাটাগরিতেই কোনও মুভি ফার্স্ট প্রাইজ পেয়েছে।
পরে মৃণালকে ঘটনাটা জানাতে মৃণাল নিরাসক্তভাবে বলেছিলেন — আমি ত আগেই বলেছিলাম।
অন্য কেউ হলে উচ্ছ্বাসে ভেসে গিয়ে জনে জনে বলে বেড়াতেন— দেখেছ, কী বলেছিলাম !
মৃণাল বরাবরই অনাবেগী।
উনি অনেকবার ঋত্বিক ঘটককে বলেছিলেন — আপনার জায়গায় আমি হলে কখনই ‘দাদা, আমি বাঁচতে চাই’ এই ডায়লগটা মেঘে ডাকা তারা সিনেমায় রাখতাম না। বড্ড মেলোড্রামাটিক।
সেই লোকের যে ইচ্ছা হবে তার মৃতদেহকে যেন কোনও স্পেশাল গান
স্যালুট ট্যালুট জাতীয় সম্মান না দেওয়া হয় — এতে আর আশ্চর্য কী !

saajh

Bengali cinema is unlucky to have lost some of its most prodigious talent before they could reach anywhere near the end of their career – Ritwik Ghatak, Rituparna Ghosh, Bappaditya Bandopadhyay, Nabyendu Chaterjee and … Anjan Das. The last named is the director of SANJHBATIR ROOPKATHARA.

This film starts on a predictable note. One was beginning to feel that it was just another ‘exploitation of women’ kind of film about the protagonist daughter Saajhbati (Indrani Halder) of a well-known painter (Soumitro Chattopadhyay). Midway through the movie, the film unfolds an unexpected development and thereafter the film becomes a powerful exploration of the perils of fame, the father-daughter relationship, love and betrayal, lust and insanity, hope and longings, setbacks and comebacks.

The performances are praiseworthy. Indrani Halder in the titular role is convincing. After Pramathesh Barua’s MUKTI in the 1930s, we have the painter as a major character in Bengali films like SWET PATHARER THALA & this one. The supporting cast includes Paran Bandopadhyay, Ketaki Dutta, Firdaus and others.

I discovered that the film was based on a story by eminent poet Joy Goswami which is why the film appears lyrical in several parts…

Rating: 4.1 out of 5

 

indian_cinema_1977-78

Image result for ek din pratidin

Ek Din Pratidin” (And Quiet Rolls the Day) remains an artistic triumph in the career of Mrinal Sen.

The gist: The narrative underlined what happens when a working girl doesn’t return home after work on a particular day. MS is one of the first to assess the changing position of women with industrialization and urbanization. Mamata Shankar, Gita Sen, Sreela Mazumdar & Satya Bandophyay comprised the cast.

Ek Din Pratidin was based on a story by famed Bengali writer Amalendu Chakravorty. A family of seven members with father (Satya Bandopadhyay), moher (Gita Sen), three sisters and two brothers are mostly dependent on the earning of a single member of the family, i.e. the eldest working daughter (Mamata Shankar).

The film opens with a long shot sequence of a hand-pulled  rickshaw entering a claustrophobic neighborhood. Thereafter, it cuts to a young child getting hurt  while playing, and taken to the clinic for treatment. One of the early sequence also shows a man urinating on the walls of the house where the family lived and the house-owner castigating the person concerned for the act – scenes of everyday life in Calcutta. MS always gave us such images from Calcuttan life in film after film.

The story unfolds slowly when the working girl doesn’t return home that night. At first, the family members kept silent hoping that she might have been working overtime, and will arrive late. The middle sister (Sreela Mazumdar in a superb performance) goes out to make a phone call to see if her sister might still be at the office. She returns home without being able to contact her.

Now the family members gets panicky, and the father goes out and watches the buses go by, without his daughter alighting from any of them. When the last bus also passes by, he returns home. Soon the inmates of the multiple storied building where both the landowner and his several tenants resided got wind of the fact that the working girl has not returned home that night.

The reactions from the various neighbors are depicted beautifully. Some makes acerbic comments, while others are more sympathetic. There are good Samaritan too who came to help the family in their hour of crisis. Two such characters, Shyamalda who stays in the same premise, and the scooter-owner friend of the brother goes out in search of the missing person. They head to the Police Station to lodge a complaint. Biplab Chaterji as a policeman, in a small role, excels. Biplab raids the family’s residence for basic inquiry, and extracts some facts about Mamata’s personal life (the type of garments she was wearing on that day). Sreela provided Biplab and his assisting officers with the necessary details.

Meanwhile, the brother and his friend check out the morgue to ascertain whether his sister’s dead body was brought there. The family also receives a news that a lady matching the description of  the missing woman lay badly injured in an accident in Nilratan Medical Hospital. The father, along with the good neighbour Shyamalda, set off for the Hospital to find out…

It was found that the girl was not his daughter. They return home relieved.

However, it was a harrowing time for the family during the night. In the wee hours of the morning, the small girl of the family sights her eldest sister (Mamata Shankar) coming back. Surprisingly, everyone in the family eyed her with suspicion. No one asks her as to where she had been the previous night…

The landlord alights the staircase and asks the father to vacate the house as soon as possible. He harped upon the fact that the locality is meant only for decent people.

The last sequence shows Gita Sen in the morning hours(who was keeping bad health the previous night) begin her preparation for her everyday household chores…

The film was released in 1979, and won awards at several International Film Festivals. The camerawork by K K Mahajan is brilliant capturing effectively the moods and emotions of the actors & the tense atmosphere of the surroundings.

Analysis: The critics may find faults. They may argue that in a big city where neighbors live like virtual strangers, neighbors discussing the non-returning of the girl to the house at such length is not a realistic portrayal of modern times, where people are mostly unconcerned about the lives of others. Maybe such debatable  issues apart, the novelty of the theme has never been explored in Indian cinema. Sen’s penchant to keep the audiences guessing as to where the girl disappeared is very much in evidence because he doesn’t offer any solution. Film Critic John W Hood finds an excellent example of the liberated woman in “Ek Din Pratidin”. “The heroine is her own boss. There is no answer to the question why she did not return home at night. Sen says it is her business where she had been.”

In an Interview, when Mrinal Sen was asked about his personal relationship with Satyajit Ray, Sen said that they never discussed each other’s films in great detail. Ray made some acerbic comment regarding this film, saying that the filmmaker doesn’t know where the women character had disappeared the previous night. Mrinal countered this and said that definitely he could have offered a solution in the film (the telephone call in the neighborhood medical dispensary late at night that went unanswered was an indicator of the missing woman trying to contact his family members) as to where the girl had disappeared, but that was not where the focus of the film lay. What he was trying to expose was the hollowness of our responses whenever misfortune befalls  someone.

When the core theme remains the same, it is interesting to unravel how two great filmmakers approach it. The theme in question – exploitation of women and the filmmakers – Ritwik Ghatak (Meghe Dhaka Tara) & Mrinal Sen (Ek Din Pratidin). The film EK DIN PRATIDIN came roughly two decades after MEGHE DHAKA TARA. In the Ghatak work, we find novelty in sound design & lighting patterns, the use of classical music in the unfolding of the storyline. In terms of narrative style, it was quite straight-forward. The Mrinal Sen film is an experimentation to convey the message under the guise of a suspenseful incident. MS also incorporates several strands of calcuttan life deftly in his cinema. They become a living document of the lives of the citizens of his favorite city.

The interview: In the book ‘Out of God’s Oven: Travels in a fractured land’ by Dom Moreas and Sarayu Srivatsa (Penguin Viking, Pg 118) there is an interview of Mrinalda with the authors and a Japanese gentleman Watanabe. When asked to speak about his films, Mrinalda smiled ‘Of course, of course. About my films, let me see. Yes, recently I made a film about a middle class family. A woman, twenty five years old, she does not come home one night. She comes home the next morning. That is what the film is about.’

Watanabe looked amused. Mrinalda laughed. ‘When she doesn’t return her family members become worried. The neighbors ask question. They react. The film is about their reaction. Their reaction tells you about the middle-class-ness of Indian families. At the end of the film, the landlord asks the family to leave the flat; go elsewhere.’                                                                                                                                                         Why?                                                                                                                                                          ‘Because everyone in the building say terrible things about the girl. If an Indian girl stays out of the house for a night, it is a very bad thing.’

Watanabe nodded slowly. ‘ Ah soo. Ah su desu ne. Rike Sita in Lamayana. I see now. Sita come home to God Lam , but she spend so many night out so Lam not accepting her. Hai, so desu ne, Lam was worried that Lavana would have touched Sita. So-so, the doubt was there in Lam’s mind. I see, I see. So, yo- a story based rittre bit on, Lamayana? Hai.’

Mrinalda digressed and said, “The film is about women, the inequalities that exist even now and how people treat women.’

Rating: 4.5 out of 5

PONKHIRAJ narrates the tale of three struggling friends – Sankar (Soumitro Chattopadhyay), Robi (Samit Bhanja) & Sunil (Santu Mukherjee). They run a garage – International Motor works in an area infested by evil persons like Mota Ghosh (Utpal Dutt) and others who are involved in a racket that steal and deal in cars.

ponkhi
The film echoes influences of several Bengali films – from Tapan Sinha’s APANJAN to Ritwik Ghatak’s AJANTRIK to the much later Sandip Ray film UTTARON based on a Satyajit Ray story about the inability of the weaker section of society to purchase expensive medicines.
It is a sheer pleasure to watch the two greats of Bengali cinema, Soumitro Chattopadhyay and Uttam Kumar, in top form in the film ably supported by the strong cast of Utpal Dutt, Samit Bhanja, Santu Mukhopadhyay, Tarun Kumar and others. There’s Chinmoy Roy for comic relief.
The film mirrors the relentless fight that ensues between the evil and the righteous. When Soumitro says “Ami struggle korte chai, ami criminal hote chai na…” you feel the genuineness of the utterance. Robi is a gifted singer and rescues small child from unscrupulous employers. There’re moments of love and tenderness involving the protagonist with fine songs pictured effectively. Issues of child labor and need of education for such children are highlighted.
There’s murder and intrigue and much else in this watchable mainstream Bengali film. The end provides the director’s comment on his film – “Ei osamajik manush gulo ke amra jeno grina na kori” (We should not hate these unsocial elements of society). The film was directed by Pijush Bose.
Rating: 3.6 out of 5

Recently the versatile actress Geeta Sen passed away. Besides acting in the films of her husband Mrinal Sen, she has also acted in Ghatak’s NAGARIK and Shyam Benegal’s AROHAN. Kolkata DD showed her film CHALCHITRO recently as a mark of respect.

chalchitro

The Mrinal Sen directed CHALCHITRO (Kaleidoscope, 1981) is a film that has not been screened in India previously as far as I know. It is a film that only a Mrinal Sen would have the courage to make. There is hardly any story so to speak, no attractive heroine features in it to make it pleasing to a viewer. But Mrinal Sen being Mrinal Sen, he has the rare ability to make the mundane the stuff of great cinematic material. Like Jean Luc Godard, MS captures life in everyday Kolkata with its vicissitudes, idiosyncrasies, humaneness and pettiness under the pretext of a storyline – the hunt of a print journalist (Anjan Dutt) for a story/scoop that is saleable. The editor of the newspaper (Utpal Dutt) likens modern life to a stock market – every aspect of it involve a kind of buying and selling.

“How many ovens are there in Kolkata?” The director also highlights environmental concern with rapid urbanization and use of unclean energy used for cooking during the late seventies. Gita Sen acts as the mother of the protagonist struggling to make ends meet for the family. The lives of several independent families all living under a common roof quibbling and sharing joys and miseries have been depicted aptly.

The film was screened at London and Venice Film festivals. Watching CHALCHITRO recently one felt sad for the demise of THE ACTRESS who brilliantly brought to life the quotidian characters in the films of Mrinal Sen, be it in CHORUS, EK DIN PRATIDIN or KHANDAHAR.

Rating: 4 out of 5