Archive for the ‘Mrinal Sen’ Category



(Pix src:

I recently saw the 1979 Mrinal Sen directed PARASHURAM on Youtube. It is generally considered as a lesser work in the ouvre of the veteran filmmaker. Watching the film, I found several strands which MS uses in this particular work, that find recurrence in many of his later films, some of which are considered to be among ‘his very best.’

PARASHURAM (THE MAN WITH THE AXE) is a tale of the sub-altern migrants in a city. Many of them were small time farmers who couldn’t sustain a livelihood back in the village. The influx into the city hasn’t improved their conditions, and they have been reduced to pavement dwellers in a city which prides itself on its moniker ‘The City of Joy.’

But does joy embrace the life of these have-nots, or wretchedness pervades their existence? No Indian director excelled in weaving humour around a central ‘grim narrative’ like MS, the light-hearted moments providing relief and yet contributing in the progression of the storyline, showcasing the dreams and aspirations of the protagonists. Probably this story-telling style is an ode to Charlie Chaplin, a favourite of the director. Though in his earlier CHORUS, MS had used a gimmicky style quite innovatively, some of the characters in that film were from the upper echelons of society. In PARASHURAM Sen has focused his lens on the pavement dwellers and brings in certain tenderness while narrating their life stories which are otherwise harsh – this technique was used in great abundance in his last film AAMAR BHUBAN. A particular shot of Sreela Mazumdar framed against a wall  is reminiscent of a similar shot of Shabana Azmi in KHANDAHAR (1983) which became iconic a few years later.

The non-returning of a woman to her home, which formed the main narrative of the masterful EK DIN PRATIDIN (1979), also finds appearance in a sub-plot in PARASHURAM. Allegorical use to represent class struggle and its inevitable destiny, surrealism that reflect the mental conditions of the protagonists and such devices, have been skillfully used to broaden the context – from the individual to the collective.

Through some of the characters in the film, the director seems to be making a critique on modern existence. When the elderly character of Bibhas Chakraborty narrates to our ‘Parashuram’ a tale of the missing girl being rescued and saved from a devastating flood in her early life, yet she couldn’t be saved from the magnetic pull of the cities (she elopes with her lover) later, the underlying social message does come to the fore.

Overall, such a grim subject on pavement dwellers runs the risk of being boring and sentimental, but it’s to the credit of the director that he elevates the film to become an authentic celluloid document of the homeless in our metro cities. The growing homelessness across the globe is a major challenge to cope with for developing / developed country.  For example, in the National Capital Region of India where I live, even now each year several homeless people die during the harsh winters – something that is a blot on our society.

As far as I recall, this is probably the only film the private Marxist filmmaker (as Mrinalda liked to describe himself)  has made that has a direct reference to the Hindu religion, the titular character being a reincarnation of Lord Vishnu and though being a Brahmin was known for his warlike traits. Whether the protagonist in the film succeed in vanquishing all the adversaries like the character from Hindu folklore, one would refrain from divulging such details and would recommended watching the film, which despite the harshness remains a work brimming with hope and despair, cinematic novelty and an authentic portrayal of the marginalized, often viewed as the dregs of society.


Rating: 4 out of 5

Excerpts from an Mrinal Sen Interview:

Tell us about your latest film.

Ans: My latest film – a kind of fiction- documentary combine- called PARASHURAM, depicts life on the city pavements. The pavement dwellers are mostly rural migrants who once were landless farmers and who are now reduced to the level of the sub-proletariat community. The leading character, not by any chance my protagonist, once killed a tiger with him axe while felling trees in a jungle. It was just on an impulse that he killed the tiger. But, as everybody knows, Parashuram’s crusade against the Kshatriya’s was an act of retribution. My job in the film was not to look for the militants among the rural migrants. It was just to make a few valid socio- economic points and, in the process, to be critical of the soul-killing system prevalent in our society and also to develop respect for the circumstances in which my characters live and perish.  In a way, the film also tries to portray the concept of an average man who, suffering humiliations all his life, indulges in pitifully impotent fantasies. I wanted the film to be funny and grim.

Read more at:

Understanding my times

Posted: April 9, 2019 in Mrinal Sen, Shyam Benegal


The film I saw yesterday was BHALO THEKO directed by Gautam Halder. BT has several layers – at one layer the film showed the exploitation and sacrifices of women for the family like Ghatak’s MEGHE DHAKA TARA. In another layer, the film depicted the torment the family undergoes when one of its member get involved in a revolutionary movement, similar to Mrinal Sen’s MAHAPRITHIBI. The impressive debut of the director is laced with a poetical treatment and emphasises the need for us to care for and live in harmony with nature. Vidya Balan plays the pivotal role and the supporting cast includes Parambrata Chattopadhyay, Joy Sengupta, Debisankar Halder, Soumitra Chattopadhyay, Anusya Mazumdar and others.

Rating: 4 out of 5

মৃণাল এবং সমকাল*
© সুমিত চট্টোপাধ্যায়
কী করে এত সুন্দর ছবি বানালেন , বলুন তো?
আপনার ভাল লেগেছে?
ভাল মানে? অসামান্য — মৃণালের কণ্ঠে মুগ্ধতা।
সত্যজিৎ চুপ করে রইলেন।
তবে আপনার এই বইটা চলবে না— চায়ে একটা বড় চুমুক মেরে বললেন মৃণাল ।
অ্যাঁ, চলবে না, মানে? সত্যজিৎ হতচকিত। এত কষ্ট করে বইটা বানালুম !
না, বানিয়েছেন ত ভালই। শুধু ভাল না, খুবই ভাল। ইন ফ্যাক্ট, এত ভাল বই আপনিও আর কখনো বানাতে পারবেন কিনা আমার যথেষ্ট সন্দেহ আছে।
আরে, মা ছেলের এরকম সম্পর্ক , যা আপনি সিনেমায় দেখিয়েছেন তা ইন্ডিয়ানদের হজম হবে না।
সে কী!
তা না তো কী! ছেলে মা-কে নিয়ে বোর হয়ে যাচ্ছে। মা মারা যেতে তার তেমন ইয়ে ত হচ্ছেই না, উল্টে সে নিজেকে স্বাধীন ভাবছে— এসব এদেশে চলবে না। বিদেশে অবশ্য লুফে নেবে।
বুঝতেই পারছেন- কথা হচ্ছিল দুই পরিচালকের মধ্যে। মৃণাল সেন এবং সত্যজিৎ রায়ের মধ্যে।
আজকের কথা নয়। ষাট বছর আগের কথা।
সদ্য বেরিয়েছে মানিকবাবুর দ্বিতীয় চলচ্চিত্র । অপরাজিত।
দেখেই এত ভাল লেগেছিল মৃণালের যে তিনি বাড়ি বয়ে চলে এসেছিলেন সত্যজিতের কাছে।
এবং মৃণালের ভবিষৎ বাণী সফল হয়েছিল।
পথের পাঁচালীর তুলনায় অপরাজিত ফ্লপই করেছিল বলতে হবে।
অনেকেই জানতে চান যে সেকালের রথী মহারথী পরিচালকদের নিজেদের মধ্যেকার রিলেশান কেমন ছিল। নিশ্চই ঘাতপ্রতিঘাতপূর্ণ জেলাসির সম্পর্ক।
যেমনটা এখনকারদিনের অনেক ডিরেক্টরদের মধ্যে হয়ে থাকে।
সেরকমটা মোটেও না।
যেমন ধরুন ঋত্বিক , মানে ঋত্বিক ঘটক আর সত্যজিৎ রায়ের মধ্যে।
দুজনেই দুজনার গুণমুগ্ধ ।
সেসময়কার এক বোহেমিয়ান পন্ডিত মানুষ ছিলেন কমলকুমার মজুমদার।
বিদ্বান এবং ততোধিক ক্ষ্যাপাটে। ভয়ানক অ্যাজমায় ভুগতেন, অথচ ডাক্তার দেখাতে তার বিরাট অ্যালার্জি। কেন চিকিৎসা করান না জিজ্ঞাসা করাতে উনি বলতেন — আসলে অ্যাজমায় ভোগার মধ্যে একটা দুর্দান্ত গ্র্যান্জার আছে, আমি না সেটা কিছুতেই স্যাক্রিফাইস করতে চাইছি না।
তো এই ভদ্রলোকের পথের পাঁচালীর একটা বাদে আর কোনও দৃশ্যই তেমন পছন্দ হয় নি।
কোন দৃশ্যটা পছন্দ হয়েছিল?
ওই যে চিনিবাস ময়রার সিনটা আছে না? পুকুরপার দিয়ে ছন্দে ছন্দে চিনিবাস যাচ্ছে আর পিছন পিছন যাচ্ছে তিনজন – অপু, দুর্গা আর একটা নেড়ি কুকুর।
ওই দৃশ্যটা।
তা সব শুনে টুনে সত্যজিৎ বলেছিলেন— ও গ্রামবাংলার দৃশ্য দেখিয়ে কমলবাবুকে খুশি করা আমার কম্মো নয়। ও ক্ষমতা আছে কেবল ঋত্বিকবাবুর।
গল্পটার উল্টো পিঠটা এবার শুনুন।
জলসাঘরের শুটিং থেমে গেছে।
কারণ ছবি বিশ্বাস ইউরোপ গেছেন প্রাইজ আনতে। ফিরতে সময় লাগবে। ট্যুর ফুর কমপ্লিট করে আসবেন।
সত্যজিতের হাত খালি।
তো এসময় একজন সত্যজিৎ-গুণমুগ্ধ একজন প্রযোজকের কাছে গিয়ে বললেন — মানিকবাবুর মত একজন গুণী লোক বসে আছেন। ওনাকে দিয়ে এই তালে একটা সিনেমা বানিয়ে নিন না।
প্রযোজক প্রমোদবাবু হাত উল্টোলেন— অসম্ভব। আমার হাতে এখন দুটো ফিল্ম। তপন সিংহ বানাচ্ছেন লৌহকপাট, আর ঋত্বিকবাবু করছেন অযান্ত্রিক।
কথাটা কানে গেল ঋত্বিকের।
উনি প্রযোজকের কাছে গেলেন আর রীতিমত ধমক দিলেন— আপনি পাগল নাকি, মশাই? মানিরবাবুর মতন লোক হাত গুটিয়ে বসে আছেন আর আমি কিনা সিনেমা বানাচ্ছি ! আপনি আমার কাজটা বন্ধ রাখুন, ওনাকে দিয়ে কাজ শুরু করান।
তখন শুরু হল জলসাঘরের শুটিং !
শতরঞ্জ কা খিলাড়ির জন্য ভয়েসওভার করতে হবে। কে করবেন?
সত্যজিৎ নিজেই করতে পারেন। ওরকম অসামান্য কণ্ঠস্বর।
না, উনি করবেন না। কারণ হিন্দিটা সত্যজিতের তেমন ইয়ে নয়।
তখন মৃণাল সেনই সাজেশান করলেন অমিতাভ বচ্চনের নাম। সত্যজিৎ লুফে নিলেন।
মৃণালবাবু যখন অমিতাভের কণ্ঠস্বর কাজে লাগিয়েছিলেন তার ভুবন সোম নামের অসাধারণ চলচ্চিত্র টিতে, তখন বচ্চন সাহেবকে কেউ পুঁছত না।
বোঝাই যাচ্ছে জহুরীর চোখ ( এবং কান) ছিল মৃণাল সেনের।
অমিতাভ তিনশ টাকা পারিশ্রমিক পেয়েছিলেন — উনি নিতে চান নি, মৃণালই ধমকধামক দিয়ে টাকাটা দিয়েছিলেন।
এক তৈলমর্দক সত্যজিৎকে বলেছিলেন— মৃণালবাবু যে কী বই বানান, কিচ্ছু বুঝতে পারি না। আপনার সিনেমাগুলো কত সুন্দর…
সত্যজিৎ অপাঙ্গে তাকিয়ে বলেছিলেন— সিনেমাটা উনি আমাদের জন্য বানান। সবার না বুঝলেও চলবে।
লেখাটা শুরু করেছিলাম সত্যজিৎ আর মৃণালের কথোপকথন দিয়ে।
এবার সেটা শেষ করি।
সত্যজিৎ খুবই হতাশ হয়েছিলেন তার অপরাজিত না চলায়। তবুও ভেনিস ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভালে তার সিনেমা( অপরাজিত) পাঠিয়েছিলেন। নিজেও গেছিলেন।
সেখানেও একই রকম অবস্থা। ঈষদুষ্ণ রেসপন্স। যেদিন রেজাল্ট বেরোবে সত্যজিৎ তখন হোটেলে। ভীষণ বিরক্ত হয়ে পায়চারি করছিলেন তিনি। সেদিন আবার তার ছেলে সন্দীপের জন্মদিন।
নাহ্— মনে মনে গজগজ করছিলেন তিনি। মৃণালবাবুর কথায় বার খেয়ে এখানে আসাটা মোটেও বুদ্ধিমানের কাজ হয় নি, এর থেকে কলকাতায় থাকলে সময়টা অনেক ভাল কাটত।
রুম বেল বাজল।
সত্যজিৎ উঠে গিয়ে দরজা খুলে দিলেন।
একটি ইয়ং মেয়ে।
আমি ফেস্টিভ্যাল কমিটি থেকে আসছি— মেয়েটি জানাল।
বেশ, তা কী চান? সত্যজিৎ জিজ্ঞাসা করলেন।
আপনার কোট কোথায়?
কীসের কোট? সত্যজিৎ পরম বিস্মিত।
প্রাইজ ডিস্ট্রিবিউশন সেরিমনিতে কোট ত মাস্ট।
ধ্যাৎ। ওখানে কে যাবে?
কে যাবে, মানে? আপনি যাবেন।
কেন কী? আপনার সিনেমা ত তিনটে প্রাইজ পেয়েছে।
তিনটে প্রাইজ পেয়েছে? অপরাজিত?
হ্যাঁ। ফেস্টিভ্যালের ইতিহাসে এই প্রথম তিনটে ক্যাটাগরিতেই কোনও মুভি ফার্স্ট প্রাইজ পেয়েছে।
পরে মৃণালকে ঘটনাটা জানাতে মৃণাল নিরাসক্তভাবে বলেছিলেন — আমি ত আগেই বলেছিলাম।
অন্য কেউ হলে উচ্ছ্বাসে ভেসে গিয়ে জনে জনে বলে বেড়াতেন— দেখেছ, কী বলেছিলাম !
মৃণাল বরাবরই অনাবেগী।
উনি অনেকবার ঋত্বিক ঘটককে বলেছিলেন — আপনার জায়গায় আমি হলে কখনই ‘দাদা, আমি বাঁচতে চাই’ এই ডায়লগটা মেঘে ডাকা তারা সিনেমায় রাখতাম না। বড্ড মেলোড্রামাটিক।
সেই লোকের যে ইচ্ছা হবে তার মৃতদেহকে যেন কোনও স্পেশাল গান
স্যালুট ট্যালুট জাতীয় সম্মান না দেওয়া হয় — এতে আর আশ্চর্য কী !


Posted: December 31, 2018 in Mrinal Sen

Multi hued probe
Chasing the truth
Of social flux and injustices
Nature of human relationships
Gender inequality
Youth unrest
The city of joy

Shifting gaze
Enemy outside
To enemy within

Idioms of expression
Colonial and social mores



Paradoxically sits on the light-hearted erudite man
The void will continue hereupon …


(In memory of Mrinal Sen who passed away yesterday)

Assessing the various characters that have been seen in the films of Mrinal Sen, one can detect loneliness as a motif in several of his works.
In NEEL AKASER NEECHEY the Chinese hawker lives in an alien society and his attempt to befriend a kindly lady is looked upon with suspicion. In BAISEY SHRAVAN the protagonist (again a hawker – the marginalized trying to eke out a livelihood features in these two early films of MS) after suffering an accident become harsh which arise from a sense of neglect and loneliness.
The loneliness of the widower Bhuvan Shome must have been the reason for the reforming act that the innocent village belle (Suhasini Mulay) suddenly has on him. The character of Simi Garewal lives alone in her flat and the need to fight loneliness must have drawn her towards the political activist. Loneliness, even while living with his entire family, must have driven the Professor to leave for an unknown destination without informing his family in EK DIN ACHANAK.
In KHANDAHAR the unwed Jamini (played by Shabana Azmi) lives alone with her mother away from the humdrum of city life. In ANTAREEN the protagonist made random calls to strangers to reach out for a human touch to escape from her loneliness.

Critics have often overlooked this latent expression in the works of the filmmaker known mostly for his experimentation and hard-hitting political and social films.